পুরানো মন্দির এবং মিশরের পিরামিড আসলে আজকের দিনের মোবাইল মাইক্রোচিপ

আমাদের এই রহস্যময় পৃথিবীতে এমন অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে যা আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি । কিছু সময় আগে বিভিন্ন ”পুরানো মন্দির এবং মিশরের পিরামিডগুলির স্পেস (উপর) থেকে নেওয়া ফটো থেকে একটি নূতন তথ্য উঠে আসে । যেখানে স্পষ্ট ভাবেই বোঝা যাচ্ছে আসলে এইসব ধার্মিক স্থানগুলি হয়তো এক একটি বিশাল এনার্জি সার্কিট বোড হিসাবে কাজ করতো ।

মিশরের পিরামিড

পিরামিডের রহস্য

প্রথমে চলুন যাওয়া যাক পৃথিবীর সবথেকে বড়ো রহস্যগুলির মধ্যে একটি মিশরের পিরামিডের কাছে । আজ পর্যন্ত পিরামিডের রহস্য পুরোপুরি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি । কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন যে এইসব পিরামিড আসলে একটি বিশাল সার্কিট বোর্ডের একটি ছোট্ট অংশ হতে পারে । কারণ আমরা জানি সোলার প্যানেলে সিলিকন ব্যবহার করা হয়ে থাকে আর এই কথা থেকে আপনি আন্দাজ করতে পারেন যে পিরামিডের বিশাল বিশাল পাথরগুলি তাহলে কতটা শক্তি উৎপন্ন করতে পারে ।

এইসব পিরামিডগুলি তৈরি করা হয়েছিল সূর্যের অনুকূলে আর আমরা মনে করি মিশরের লোকেরা সূর্য দেবতার পূজা করতেন যে কারণে পিরামিডের নির্মাণ সূর্যের অনুকূলে করা হয়েছিল । কিন্তু এটিও হতে পারে যে মিশরবাসী পিরামিডের নির্মান সূর্যের অনুপাত অনুসারে তৈরি করেছিল যাতে সূর্য উদয় হওয়ার সাথে সাথেই সূর্যকিরণ পৃথিবীতে পড়তেই,সূর্যকিরণ এইসব পিরামিডের মেশিনগুলিকে সক্রিয় করে তোলে । আর এইসব মেশিনগুলি নিজের নিজের কাজ করতে শুরু করে । আপনি জানলে অবাক হবেন যে পিরামিড থেকে এখনো এক প্রকারের ইনার্জি নির্গত হয় ।

ইংল্যান্ডের স্টোনহেঞ্জ (Stonehenge)

ইংল্যান্ডের স্টোনহেঞ্জ

আধিকারিক ভাবে বলা হয় যে এই স্টোনহেঞ্জের নির্মাণ প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে করা হয়েছিল । কিন্তু এর সত্ত্বেও এখান থেকে এখনো এক প্রকারের চুম্বকীয় শক্তি উৎপন্ন হয় । যার থেকে ধরে নেওয়া যেতে পারে এই স্টোনহেঞ্জ এক প্রকারের সার্কিটের একটি অংশ হিসাবে কাজ করতো । এই প্রকার শক্তি উৎপন্ন করা স্থান পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আছে আর এইসব স্থানগুলির মধ্যে বেশিরভাগই ধর্মীয় স্থান হিসাবে পরিগনিত হয়ে আছে । এই প্রাচীন স্থানকে আসলে একটি বৈজ্ঞানিক টেকনিক বলা যেতে পারে যেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না । যদি আমরা স্পেস থেকে এইসব স্থানগুলি দেখি তাহলে স্থানগুলি দেখতে আজকের দিনের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা একেকটি সার্কিট বোটের মত ।

যেমন মিশরের কারনাক (Karnak) মন্দির, কম্বোডিয়ার আঙ্কোর ভাট মন্দির (Angkor Wat Mandir), পেরুর সাক্ষ্যায়হুমান রুইন্স (Sacsayhuaman Ruins), গ্রীসের ডেলফি টেম্পেল অফ অ্যাপোলো, ইতালির পাইস্তামের মন্দির যেটা আজকের দিনের মাইক্রো চিপের মত দেখতে, ইরানের পার্সেপলিশও আজকের দিনের কম্পিউটার মাইক্রো প্রোসেসরের মত দেখতে ।

এমন আরো অনেক ধর্মীয় স্থান আছে যেগুলি হয়তো এক একটি বিশাল এনার্জি সার্কিট বোর্ডের কাজ করতো আর এইসব স্থানের নির্মাণ এমন এমন সঠিক জায়গায় করা হয়েছে যেখান থেকে পৃথিবীর শক্তিকে কাজে লাগানো যেতে পারে । এই সব স্থানগুলি এক একটি বিন্দু যেগুলি পরস্পর জুড়ে একটি শক্তির জাল বা এনার্জি গ্রীব তৈরী করে ।

আপনার কি মনে হয় আজকের দিনের এই সব ধর্মীয় স্থানগুলি কি, কোন সময় সত্যিই কোন এনার্জীর কাজ করতো ।

Leave a Comment