বিউটি টিপস

ত্বকের যত্নে ডাবল ক্লিনজিং

বর্তমানে ত্বকের যত্নে ডাবল ক্লিনজিং পদ্ধতি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।অনেকেই তাদের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিনে এই ডাবল ক্লিনজিং পদ্ধতি ইতিমধ্যেই যোগ করেছেন।ত্বকের যত্নে ও ত্বক পরিষ্কারে এই ডাবল ক্লিনজিং পদ্ধতি পৃথিবীব্যাপি বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। মূলত ডাবল ক্লিনজিং এর ব্যাপারটি এসেছে কোরিয়ান বিউটি থেকে অর্থাৎ k beauty থেকে।কোরিয়ানরাই প্রথমে ডাবল ক্লিনজিং শুরু করে।এরপর বিশ্বব্যাপী এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে,এর মূল কারণ হলো ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে এটি একটি কার্যকরী পদ্ধতি।

 

ডাবল ক্লিনজিং কেন করব?

চারদিকের এতো ধুলাবালি,মেকাপ করার ফলে আমাদের ত্বকে ধুলাবালি এবং ময়লা জমে।যার কারণে দেখা দেয় বিভিন্ন সমস্যা যেমন- পোরস ক্লোজ হয়ে যাওয়া,ব্রণ উঠা, ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাওয়া তার মধ্যে অন্যতম।পোরস এর মাধ্যমে আমাদের ত্বক শ্বাস নেয়,আর ত্বকের এই শ্বাস ছিদ্র অর্থাৎ পোরস ধুলাবালি ও ময়লার কারণে বন্ধ হয়ে গেলেই মূলত ব্রণের সমস্যা, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস এর মতো সমস্যা দেখা দেয়। শুধুমাত্র পানি দিয়েই বা শুধু ফেসওয়াশ ব্যবহার করে ত্বককে ডিপ থেকে ক্লিন করা যায় না। তাই ত্বকের এসব সমস্যা দূর করার জন্য এবং ত্বকের যত্নে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ডাবল ক্লিনজিং করা প্রয়োজন।

 

ডাবল ক্লিনজি কি সব রকমের ত্বকেই করা যায়?

হ্যাঁ,সব ধরনের ত্বকেই ডাবল ক্লিনজিং করা যায়।তবে,যাদের ওয়েলি স্কিন তারা অনেকেই ডাবল ক্লিনজিং করতে চান না। কেননা ডাবল ক্লিনজিং এ ওয়েল বেসড ক্লিনারই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তারা ভাবে এই ওয়েল বেসড ক্লিনার তাদের ত্বককে আরও ওয়েলি করে তুলবে। কিন্তু তাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।ডাবল ক্লিনজিং কখনোই ত্বককে ওয়েলি করে তুলে না, বরং ত্বকের গভীর থেকে ময়লা বের করে ত্বককে পরিষ্কার করে।

 

ডাবল ক্লিনজিং কীভাবে করব?

ডাবল ক্লিনজিং পদ্ধতি হলো মূলত দুইবার মুখ পরিষ্কার করার একটি পদ্ধতি। কিন্তু একই ফেসওয়াশ দিয়ে দুইবার মুখ ধোয়া নয়।প্রথমে ধাপে-ক্লিনজিং ওয়াটার/মাইসেলার ওয়াটার/মাইসেলার ক্লিনজিং জেল/ক্লিনজিং ওয়েল ইত্যাদির মধ্য থেকে যেকোনো একটি প্রোডাক্ট আপনার ত্বকের ধরন এবং ত্বকের সহনশীলতার উপর নির্ভর করে নির্বাচন করুন। এরপর,এটি মুখে লাগানোর পর আপনার মুখ হালকাভাবে আলতো করে ম্যাসাজ করুন।এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।তারপর দ্বিতীয় ধাপে-আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী যেকোনো ব্র্যান্ডের ক্লিনজার অথবা ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন।তারপর একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।ব্যাস হয়ে গেল আপনার ডাবল ক্লিনজিং।ডাবল ক্লিনজিং এর পর ত্বকে টোনার এবং তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না।

 

ডাবল ক্লিনজিং এর উপকারিতা-

ডাবল ক্লিনজিং ত্বকের ডিপ থেকে ময়লা পরিষ্কার করে,ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে,ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, বলিরেখা ইত্যাদি দূর করে ত্বককে কোমল করে। তাই ত্বকের যত্নে ডাবল ক্লিনজিং করুন প্রতিদিন।এতে করে আপনি পাবেন উজ্জ্বল,ব্রণ মুক্ত সুন্দর একটি ত্বক।

 

লিখেছেন   :  তাহমিনা আক্তার।,  ছবি :  ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button