রেসিপিলাইফ স্টাইল

ছুটির দিনে মুক্তি একঘেয়ে রুটিন থেকে

আজ ছুটির দিন। প্রতিদিন এক ঘেয়ে রুটিন থেকেও ছুটি। তাহলে প্রতিদিনের সেই একঘেয়ে খাবারকেও ছুটিতে পাঠান। গবেষনায় দেখা গেছে,খাবারে নতুনত্ব আসলে তা খাবার চাহিদা এবং ইচ্ছা দুটোই বাড়ে।আর বাইরের খাওয়া মানেই অস্বাস্থ‌্যকর, তেল চিপচিপে না হলে বাসি পচা। সাথে অবলীলাক্রমে মেশানো হয় যত অবিশুদ্ধ উপাদান। ভালো মানের ভালো খাবারের গ্যারেন্টি কোথায়। আর যারা চাকরীজীবী তাদের তো কথাই নেই। বাইরের খাবার খেতেই হয়।রান্নার সময় ও তেমন মেলে না। তাহলে ছুটির দিনে না হয় একটু কষ্ট করে নিজেই রান্নাটা করলেন। আর নিজের হাতের রান্নার স্বাদ ই আলাদা। তাহলে তৈরী করে ফেলতে পারেন ছুটির দিনের রান্নার মেনু।

ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন লুচি, আলুর দম আর সিমুই পায়েস। গবেষনায় দেখা গেছে,দুপুর কিংবা রাতের চেয়ে সকালে ভারী বা তেল জাতীয় খাবার খাওয়া শরীরের জন্য তুলনামূলক কম ঝুকিপূর্ন।

তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে বানাব এগুলো:

লুচি তৈরী করতে যা যা লাগবে: 

  • ময়দা 2 কাপ
  • তেল 150 গ্রাম(ময়ান বা ডো করার জন্য)
  • ভাজার জন্য তেল 250 গ্রাম
  • পানি হাফ কাপ লবন
  • 1 চিমটি চিনি
  • 1 চিমটি

প্রস্তুত প্রনালী:  প্রথমে একটা পাত্রে ময়দা নিয়ে নিন।তাতে 1 চিমটি লবন,1 চিমটি চিনি দিয়ে মাখিয়ে নিন। এরপর এতে 150 গ্রাম তেল মিশিয়ে ভালো করে মাখান। ময়দা আর তেল দিয়ে ভালো করে ময়দা মাখানোর পর এতে পরিমানমতো পানি দিয়ে একটা ডো তৈরী করুন। এরপর কিছুক্ষনের জন্য ডো টিকে রেস্টে রাখুন। 10 মিনিট পর একটা বেলন চাকি তে সেই ডো এর খানিকটা নিন। এরপর ময়দা বা তেল দিয়ে ভালো করে গোল করে বেলে নিন। লুচি কিন্তু বেশী পাতলা করতে যাবেন না তাহলে আর ফুলবে না। একটু মোটাই রাখবেন এর পুরুত্বটা। এরপর চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে তেল ঢালুন ভাজার জন‌্য।  এরপর তেল গরম হলে একটা একটা করে ভেজে ফেলুন। খুব সাবধানে উল্টো পাল্টে নিন। ফুলে উঠলে ভালো করে ভেজে নামিয়ে ফেলুন। ব্যস,তৈরী হলে গেল আপনার ছুটির দিনের মন ভালো করার প্রথম রান্না লুচি। (এই পরিমান 2-3 জনের জন্য )

টিপস:  লুচি গোল না হলে মন খারাপ করবেন না। হাতের কাছের একটা গোল স্টিলের বাটি নিন। এরপর বেলে নেয়া ডোয়ের উপর বাটি বসিয়ে কেটে নিন আপনার পছন্দের গোল শেপের লুচি।

 

 

 

এবার লুচির সাথের আলুর দম না হলে কি চলে বলুন। তাহলে চলুন,আলুর দম টা শিখে নেয়া যাক।

আলুর দম করতে যা যা লাগবে:

  • আলু বড় সাইজের 4/5 টা
  • হলুদ 2 চা চামচ
  • শুকনা মরিচ গুড়ো পরিমান মতো
  • জিরে গুড়া 1 চা চামচ
  • ধনিয়া গুড়া পৌনে এক চা চামচ
  • গরমমশলা গুড়া 1 চা চামচ
  • টক দই 2 টেবিল চামচ
  •  পিয়াজ কুচি
  • রসুন বাটা
  • আদা বাটা
  • 1 চা চামচ আস্ত জিরা
  • তেজপাতা
  • শুকনা মরিচ লবন স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রনালী:  আলু সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর কিউব কিউব করে কাটুন। এরপর এতে স্বাদমতো লবন আর হলুদ মাখিয়ে নিন। এরপর কড়াইতে তেল দিয়ে আলুগুলো লাল করে ভেজে তুলে নিন।  এরপর ওই তেলেই জিরে,তেজপাতা,শুকনা মরিচ ফোড়ন দিন। কুচানো পিয়াজ দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। খুব ভাজবেন না,পিয়াজটা নরম হবার এই পর্যায়ে রসুন আর আদা বাটা দিয়ে দিন। তারপর একটা বাটিতে টকদই,হলুদ গুড়া,মরিচের গুড়া,লবন,জিরে গুড়া,ধনিয়া গুড়া,আদা বাটা মিশিয়ে একটা পেস্ট করে নিন। এরপর তেলে এই পেস্টটি দিয়ে ভালো করে কষান। মশলাটি যাতে পুড়ে না যায় এজন্য পানি দিন সামান্য। এরপর তেল ছাড়ার আগ পর্যন্ত এটি কষান। ভালো করে কষানো হলে ভেজে রাখা আলু আর একটু পানি দিয়ে রান্না করুন। ব্যস,এরপর মাখা মাখা হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন আলুর দম।

টিপস:   আলু ভাজার সময় কড়াইতে লেগে যায় অনেকসময়। তাই কড়াইতে তেল গরম হবার পর একটু লবন দিয়ে দিন।তাহলে আর আলু লেগে পড়বে না।

 

 

 

ঝাল তো হলো। একটু মিষ্টি খাওয়া যাক?? চলুন চটজলদি তৈরি করে ফেলি বাদাম সিমুই পায়েস বা বাদাম সেমাই।

সিমুই পায়েস বা বাদাম সেমাই বানাতে যা যা লাগবে:

  • সিমুই বা সেমাই এক প্যাকেট
  • পেস্তা বাদাম 2 চা চামচ
  • চিনাবাদাম 2 চা চামচ
  • কাঠবাদাম 2 চা চামচ
  • কাজু 2 চা চামচ
  • কিসমিস 3 চা চামচ
  • দুধ দেড় লিটার
  • ঘি 3 টেবিল চামচ
  • চিনি স্বাদমতো

প্রস্তুত প্রনালী:  প্রথমে কড়াইতে ঘি দিয়ে কাঠ বাদাম,কাজু,কিসমিস,পেস্তা সব একসাথে ভেজে দিন। এরপর ওই কড়াই তে সেমাই ভেজে নিন।  আরেকটা কড়াইতে দুধ জ্বাল করতে বসান। দেঢ় লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিন। জ্বাল দিয়ে দেঢ় লিটার দুধ 1 লিটার করুন। এরপর এতে পরিমানমতো চিনি দিয়ে দিন। এরপর সেই ফোটানো দুধ ভেজে রাখা সেমাইতে অল্প অল্প করে ঢালুন আর নাড়তে লাগুন। খেয়াল রাখবেন যেন লেগে না পরে। তারপর বাদাম কিসমিস দিয়ে আরেকটু নাড়ুন। ক্ষীর ক্ষীর হয়ে গেলে উপরে আরো কিছু বাদাম ছড়িয়ে পরিবেশন করুন বাদাম সেমাই বা বাদাম সিমুয়ের পায়েস। এটি আপনি দুপুরেও খাবার পর বা রাতের খাবারে পর ডিনার হিসেবে খেতে পারেন।

টিপস: দুধ জ্বাল দিতে গিয়ে কড়াই থেকে অনেক সময় উতলে পড়ে যায় । এই উতলে পড়া রোধ করতে একটা স্টিলের হাতা কড়াইতে দিয়ে রাখুন। দুধ উতলে পড়বে না।

 

 

 

তাহলে এই মজাদার ব্রেকফাস্টটির পর ছুটির দিনের দুপুরের খাবারেও আনতে পারেন ভিন্ন আয়োজন। যেহেতু সকালে একটু ভারি খাবার রাখলেন, দুপুরে একটু সহজ এবং তৃপ্তির খাবার রাখতে পারেন। মেনুটা হতে পারে  এমন:  সাদা ভাত নিরামিষ পাচমিশালি সব্জি দেশী মুরগির পাতলা ঝোল আর ডাল চচ্চরী অবশ্য একটু টক মিষ্টি স্বাদ আনতে চাটনীও করতে পারেন। ভাত রাধতে তো আমরা সবাই জানি। তাহলে চলুন জেনে নেই নিরামিষ পাঁচমিশালি সব্জি রান্নার সহজ উপায়।

পাঁচমিশালি সব্জির উপকরন:

5 পদের সব্জি (যেমন:আলু,পেপে,গাজর,বরবটি,লাউ,কুমড়া সহ আপনার পছন্দমতো) পাচফোড়ন 1 চা চামচ হলুদ 1 চা চামচ লবন স্বাদমতো কাচামরিচ 4/5 টা ধনেপাতা 1 আটি শুকনা লঙ্কা 1/2 টা তেজপাতা 2/3 টা তেল 3 টেবিল চামচ ভাজা মশলা।

ভাজা মশলার উপকরন:

  • জিরে 1 চামচ
  • ধনিয়া 1 চা চামচ
  • তেজপাতা 2 টা
  • শুকনা মরিচ 2 টা

 প্রনালী: সব একসাথে টেলে নিয়ে ব্লেন্ডার বা শিল পাটায় বেটে নিলেই হবে ভাজা মশলা।

 

 

 

 

প্রস্তুত প্রনালী:  সব তরকারি কেটে নিন কিউব কিউব করে। এই সব্জিতে আছে নানা ধরনের ভিটামিন যা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এরপর তরকারিগুলো ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এখন কড়াইতে তেল গরম করে পাঁচফোড়ন শুকনা লঙ্কা আর তেজপাতা দিয়ে দিন। এরপর পাচঁফোড়নের গন্ধ ছড়িয়ে গেলে তরকারি দিয়ে দিন। সামান্য হলুদ আর পরিমানমতো লবন দিয়ে ঢেকে দিন প্রায় 7-8 মিনিট মিড আঁচে। এরপর কড়াইয়ের ঢাকনা খুলে চেক করে নিন তরকারি সিদ্ধ হয়েছে কিনা। সিদ্ধ হয়ে গেলে ভাজা মশলা গুড়া দিয়ে আরেকটু কষান। কষানো হয়ে গেলে ধনেপাতা আর কাচামরিচ দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে পরিবেশন করুন নিরামিষ পাচমিশালি সব্জি। (3-4 জনের পরিমান উল্লেখ করা হয়েছে)

পিয়াজ কখনোই বেশী খাওয়া ঠিক না। অধিক পিয়াজ খেলে উচ্চরক্তচাপের জন্য ক্ষতিকর তাই পিয়াজ দিয়ে সব রান্না করা হলেও পিয়াজ কিছু কিছু রান্নায় এড়িয়ে চলুন। তা আপনার স্বাস্থ‌ এর জন্য উপকারী।

এবার দেশী মুরগির পাতলা ঝোলের রেসেপি টা না হয় জেনে নেই।

দেশী মুরগির পাতলা ঝোলের উপকরন:

  • দেশী মুরগি 1 কেজি
  • পিয়াজ কুচি 1 কাপ
  • রসুন বাটা 2 চা চামচ
  • আদা বাটা 2 চা চামচ
  • তেল 1 কাপ
  • দারচিনি 2-3 টা
  • এলাচ 3-4 টা
  • তেজপাতা 3-4 টা
  • লবঙ্গ 2-3 টা
  • জায়ফল গুড়া আধা চা চামচ
  • জিরে গুড়া 1 চা চামচ
  • ধনিয়া গুড়া 1 চা চামচ
  • গরমমশলা গুড়া 1 চা চামচ
  • হলুদ 2 চা চামচ
  • মরিচের গুড়া পরিমান মতো
  • লবন স্বাদমতো
  • আলু 3/4 টা (নুন হলুদ দিয়ে ভেজে রাখতে হবে)
  • লেবুর রস হাফ কাপ
  • কাচামরিচ 5-6 টা

প্রস্তুত প্রনালী: মাংস কেটে ধুয়ে নিন। ছাকনিতে জল ঝড়িয়ে রাখুন।কিছুক্ষন পর মাংসটা একটা বাটিতে নিয়ে লবন আর লেবু দিয়ে মাখিয়ে রাখুন অন্তত 10 মিনিট।এতে মুরগির কোনো বাজে গন্ধ থাকলে চলে যাবে। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে দারচিনি, এলাচ আর তেজপাতা দিন।পিয়াজ দিয়ে দিন। পিয়াজ ভাজা ভাজা হয়ে গেলে আদা,রসুন বাটা দিয়ে দিন। এরপর একটা বাটিতে জিরে,হলুদ,মরিচ,ধনিয়া জায়ফল গুড়া আর পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট করে নিন। এবার এই পেস্ট টি কড়াইতে আদা রসুন দিয়ে কষানো সময় দিয়ে দিন। মশলা যাতে পুড়ে না যায় এজন্য পানি দিয়ে কষান। একবারে অনেকটা পানি দিবেন না।অল্প অল্প পানি দিয়ে কষান। এবার কষানো মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে মাংস আর ভেজে রাখা আলু দিয়ে কিছুক্ষন ঢাকা দিয়ে রাখুন। গ্যাসের পাওয়ার মিড আচে রাখবেন। এতে মুরগির নিজস্ব পানিটা ছেড়ে দিবে। এবং এই পানিতে সিদ্ধ হবে। এরপর 5-6 মিনিট পর ঢাকনা খুলে মাংস সিদ্ধ হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে পরিমান মতো পানি আর লবন দিন। আপনি যতটুকু ঝোল পছন্দ করেন ততটুকু পানি দিবেন। এরপর ফুটে উঠলে কিছুক্ষন ভালো ভাবে জ্বাল দিয়ে উপর থেকে তেল ভেসে উঠলেই রেডি আপনার দেশী মুরগির পাতলা ঝোল।

টিপস:  মুরগি ম্যারিনেটের সময় লেবু দিলে মুরগির কোনো বাজে গন্ধ থাকলে তা কেটে যায়।

ডাল চচ্চরী

  • উপকরন:
  • ডাল এক কাপ
  • হলুদ এক চামচ
  • কাচামরিচ 3-4 টা
  • তেল 3 টেবিল চামচ
  • পিয়াজ কুচি হাফ কাপ
  • রসুন কুচি 2 চা চামচ
  • দারচিনি 1 টুকরো
  • এলাচ 2 টুকরা
  • আদা কুচি হাফ টেবিল
  • চামচ লবন স্বাদমতো
  • ধনেপাতা 3 টেবিল চামচ
  • আস্ত জিরা 1 চা চামচ
  • তেজপাতা 2 টা

প্রস্তুত প্রনালী:  ডাল আধাঘন্টা আগে থেকে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করে জিরে,তেজপাতা,এলাচ,দারচিনি, পিয়াজ দিয়ে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে তাতে রসুন আর আদা কুচি দিয়ে দিন। এরপর ভালো করে ভাজা ভাজা হলে ভেজানো ডাল জল ঝরিয়ে দিয়ে দিন। এতে লবন,হলুদ মিশিয়ে ডালটা ভালো করে ভাজুন। এরপর পরিমানমতো পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন 8-9 মিনিট। এসময় গ্যাসের আঁচ মিডিয়ামে থাকবে। এরপর পানি শুকিয়ে এলে কাচামরিচ আর ধনে পাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন ডাল চচ্চরি।

বিকেল বেলার চা তেও আনতে পারেন ভিন্নতা। প্রতিদিন সেই একঘেয়ে দুধ চা বা রং চায়ের চেয়ে আজ একটু করতে পারেন তুলসি-পুদিনার চা। চলুন তবে তুলসি পুদিনার চা রেসপি জেনে নেই।

 

 

 

তুলসি-পুদিনার চায়ের উপাদান:

  • চা পাতা 2 চা চামচ
  • তুলসি পাতা 4-5 টা
  • পুদিনা পাতা 5-6 টা চিনি
  • পরিমানমতো পানি 4-5 কাপ (3-4 জনের পরিমান)

প্রস্তুত প্রনালী: পাতিলে গরম পানি ফুটতে দিন।ফুটে উঠলে পুদিনা আর তুলসি পাতা দিয়ে পানি টা আরো ফুটান। এরপর এতে চিনি দিয়ে দিন। এরপর কিছুক্ষন ফোটার পর চা পাতা দিয়ে দিন। বেশ কিছুক্ষন জ্বাল করার পর আপনার পছন্দের কাপে পরিবেশন করুন আপনার পছন্দের পুদিনা তুলসির চা।

এটি খেতেই শুধু টেস্টি না আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে আপনার শরীরের।

টিপস:   অনেক সময় কাটা জায়গায় রক্ত পড়া বন্ধ না হলে তুলসি পাতার রস লাগাতে পারেন। এতে রক্ত পড়া বন্ধ হবে।

শেষ কথা:  আপনার প্রতিদিনের খাবার কিংবা দৈনিক রুটিন দিয়ে মাঝে মাঝে নিজেকে ছুটি দিন। তাতে আপনার মন ভালো থাকবে এবং ক্লান্তি আসবে না। নিজের জন্য সময় রাখুন। নিজেকে সুন্দর উপহার দিন অন্যকেও দিন। এবং প্রতিটি ছুটির দিন হয়ে উঠুক আপনার জন্য স্পেশাল। ছুটির দিনগুলোতে একঘেয়েমী থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনার জীবন উপভোগ্য হোক।ভালো থাকুন,ভালো রাখুন সবাইকে এবং অবশ্যই ভালো খান।

লিখেছেন   : Sristy Saha  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button